কয়েকজন যুবক মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ২২ বছরের এক কিশোরীকে। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল। যুবকদের উদ্দেশ্য হাসিলের পর কিশোরীর হাতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও গাড়ি ভাড়ার সাইট টাকা ধরিয়ে দেন ধর্ষকরা। ঘটনাটি ঘটে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম এই ঘটনার কথা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণ করে লাপাত্তা হয়ে যায় ধর্ষণকারীরা। পরে পুলি প্রযুক্তিসহ নানা ভাবে চেষ্ঠা চালিয়ে ৪জনকে গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে ৩জন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে। কিশোরীকে দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন চন্ডীত্তীয়র গ্রামস্থ কালা চাঁদের তলার দক্ষিণ পার্শ্বে রুনি হাওড় নামক স্থানে গণধর্ষণ করে হয়।
এ ঘটনায় কিশোরীর বোন বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আটককৃত চারজনই সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
সুরমা থানার পুলিশ জানান, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ সুরমা থানাধীন হুমায়ুন রশিদ চত্বর থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে কিশোরীকে ধর্ষণকারীরা সুকৌশলে চন্ডীপুলে যাওয়ার কথা বলে সিএনজি গাড়ীতে তুলে। এরপর ধর্ষণকারীরা কিশোরী চন্ডিপুলে না নামিয়ে জোরপূর্বক অপহরন করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ক্লুলেস গণধষর্ণ মামলাটি তদন্তে নেমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ১৮ মার্চ আসামিদের গ্রেফতার করে।
