সঙ্গীত বিষয়ক একটি রিয়েলেটি শো-এর প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন শারমিন আক্তার। আজ তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়ে রয়েছেন হাসপাতা'লের বিছানায়। থাইরয়েডের সমস্যা থেকে শারমিনের শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা জটিলতা। ক্রমশ তার অবস্থা শঙ্কটাপন্ন হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরটিভি নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে শারমিনের বাবা বাউল শিল্পী হু'মায়ুন কবির বলেন, জীবনে কিছু চাইনি। শুধু চেয়েছি আমা'র ‘মা’ গানের মধ্যে বেঁচে থাকুক। সেই মা আজ ১৪ দিন ধরে হাসপাতা'লে মৃ'ত্যুর সঙ্গে ল'ড়াই করছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শারমিনের অবস্থা আর একটু অবণতি হলেই তাকে ফেরানো সম্ভব হবে না।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা'লে ভর্তি রয়েছেন শারমিন। এর আগে দুই দিন রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতা'লে ভর্তি ছিলেন তিনি। মূলত জ্বর নিয়ে হাসপাতা'লে ভর্তি হোন তিনি। তবে অবস্থার উন্নতি না হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা'লে নেওয়া হয়।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শারমিনের বাবা বলেন, শারমিনের র'ক্তের সেল নষ্ট হচ্ছে। তার শরীরে নতুন করে র'ক্ত উৎপাদন হচ্ছে না বলেই দিন দিন অবস্থার অবণতি হচ্ছে। গত ৯ দিন হাসপাতা'লের বেডে একই অবস্থায় পড়ে আছে।
আগামী দুই দিন যদি শারমিনের অবস্থার কোনো উন্নতি না হয় তাহলে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া জরুরি বলে জানান হু'মায়ূন কবির। তবে এ জন্য যে পরিমান অর্থের দরকার তা তার কাছে নেই। তবে এ ক্ষেত্রে কেউ যদি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন সেটা তিনি সাদরে গ্রহণ করবেন বলে জানান। একই সঙ্গে মে'য়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে।
এদিকে অন্য আরেক কণ্ঠশিল্পী সালমা আক্তার সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন ছবিসহ। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শারমিন কে বাঁ'চাতে পারে একমাত্র আল্লাহ। আম'রা শুধু পরিপূর্ণ চেষ্টা করতে পারি। থাইরয়েড সমস্যা জনিত কারণে ব্লাড ইনফেকশন। চিকিৎসার জন্য ৩-৪ দিনের মাঝেই সিঙ্গাপুর নিতে হবে। অনেক টাকার প্রয়োজন। আমি তার বাবাকে ফোন করেছিলাম। সে আমা'র কাছে কোনো আর্থিক সাহায্য চায়নি। কিন্তু তার টাকার প্রয়োজন। ১৫-২০ লাখ টাকা প্রাথমিক খরচ নিয়ে সিঙ্গাপুরে যেতে হবে। আপনার ইচ্ছে হলে তাকে বাঁ'চাতে এগিয়ে আসতে পারেন।
শারমিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজে'লায়। শারমিনের দাদা গান গাইতেন। বাবাও গান গাওয়ার পাশাপাশি গান লেখেন, সুর করেন। বাবা-দাদার পথ ধরেই লোকগান করেন শারমিন।
