এলি'য়েন বা ভিনগ্র'হীদের নিয়ে মানু'ষের মনে কৌতূহলের কোনও খাম'তি নেই! কম'তি নেই তর্ক-বিতর্কে'রও! তাদের কের্মন দেখতে? তারা কী খায়, কী পরে, কেম'নই বা তা'দের জীব'নধারা? এই নি'য়ে গল্পগাঁ'থা, কল্পনা-'জল্পনাও ভু'রি-ভুরি! এবা'র সা'মনে এল এ'ক চাঞ্চল্য'কর তথ্য! রাতের অন্ধকারে ভিনগ্রহীরা নাকি পৃথিবী থেকে মানুষ অপহরণ করে নিয়ে যায় তাদের যৌন যৌন চাহিদা চরিতার্থ করতে! গত ২০ বছর ধরে নাকি এইভাবেই নিজেদের যৌন আকাঙ্ক্ষা মিটিয়ে চলেছে এলিয়েনরা! এমনই দাবি করেছেন মার্কিন লেখক জেরোমে ক্লার্ক।
আন'আইডেন্টিফা'য়েড ফ্লা'ইং অব'জেক্ট বা UF'O এবং প্যারা'নরমাল অ্যাক্টিভিটি নিয়ে গবেষণা করছেন জেরো'মে ক্লার্ক। সম্প্রতি তাঁর লেখা ‘UF'Os ইন দ্য লেট টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি’ বইটি প্রকাশ পায়। সেখান থেকেই জানা যাচ্ছে, যৌন সঙ্গম করার জন্য ২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২১২ জনকে পৃথিবী থেকে অপহরণ করেছে এলিয়েনরা!
নিজের বক্তব্যে'র সপ'ক্ষে একা'ধিক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার 'নিয়েছেন জেরোমে। যাঁদের মধ্যে একজন পিটার খাউরি। অস্ট্রেলিয়ার এক নিউজ কোম্পানির কর্ণধার পিটার। তিনি জানান, এক রাতে আচমকাই ঘুম ভেঙে যায় তাঁর! চোখ খুলে দেখেন খাটের পাশে দু'জন বিদেশিনি মহিলা হাঁটু মুড়ে বসে! দুজনেই নগ্ন! দুজনেরই চোখ-মুখে-শরীরি বিভঙ্গে যৌন আবেদন স্পষ্ট! পিটারও সাড়া দেন যৌন আবেদনে। কিন্তু সঙ্গমের চরম মুহুর্তের আগেই দু’জনে অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে প্রমাণ হিসেবে পিটারের কাছে রয়ে যায় 'রহস্যময়ী'র মাথার চুল। পরীক্ষা করে দেখা যায়, চুলটি এশিয়ান ও গেলিক অ্যাডভান্সড ডিএনএ-র হাইব্রিড।এলিয়ানের সঙ্গে যৌন মিলন হয়েছে, এমনই দাবি আ'র এক মহিলার! তিনি জানান, ক্রুজে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে বুঝতে পারেন, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। জেরোমি তাঁর বইয়ে লিখছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এলিয়ানরা নগ্ন হয়ে মানুষের সামনে এসেছে, মানুষদের উত্তক্ত করেছে যৌন সঙ্গমের জন্য।
