মুনিয়াকে নিয়ে অপপ্রচার!

 

 বসুন্ধরা গ্রুপের টাকায় লালিত পালিত সাংবাদিক নামের কিছু নিকৃষ্ট শ্রেণীর দালাল “ভাইরাল প্রতিদিন” নামের একটি ফেইসবুক পেইজ সৃষ্টি করে মৃত মোসারাত জাহান মুনিয়াকে চরিত্রহীনা নারী হিসেবে প্রমানের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বুস্ট করে আনভীরের চেহারা যেসব ভিডিওতে নেই, সেই সব ভিডিও আপলোড করে তারা বুঝাতে চাচ্ছে মুনিয়া একটি চরিত্রহীন নারী ছিল তাই তার এমন পরিণতি হওয়া উচিত ছিল। আনভীরের জন্য মুনিয়া একবার একটি প্রাইভেট ড্যান্স করেছিল যেটা আনভীর ছাড়া অন্য কারো ফোনে থাকার কথা নয়। সেই গোপনীয় ক্লিপটিও তারা বাজারে ছেড়ে মৃত এই মেয়েটিকে কলঙ্ক দিয়ে লম্পট আনভীরকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। 

নাগরিক টিভি শুরু থেকেই কোনো পক্ষ অবলম্বন না করে মুনিয়া এবং আনভীরের চ্যাট এর স্ক্রিনশট এবং টেলিফোন কথোপকথন প্রচার করেছে যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় আনভীরের জঘন্য মানুষিকতা সম্পর্কে। মুনিয়া চারিত্রিকভাবে যদি একজন অসতী নারী হয়েও থাকে, তবুও আনভীর তাকে এভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে না। মুনিয়াকে আনভীর যে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেছে সেটা কোনো পতিতার সাথেও কেউ করতে পারে না বা করার অধিকার রাখে না। 

মুনিয়ার পরিবারের কারো সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। তাছাড়া নাগরিক টিভির সাথে বসুন্ধরা গ্রুপের কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ও নেই। আমরা নিজেদের নৈতিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে মুনিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। আমরা চাইনা আর কোনো নারী এইসব সুগার ড্যাডির পাল্লায় পরে অকালে নিজের জীবন হারাক। 

যে চলে গিয়েছে সে কখনো ফিরে আসে না। মাত্র ২১ বছর বয়সী সম্ভাবনাময়ী একজন তরুণী ছিল মুনিয়া। পিতৃ বা মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত এই মেয়েটির উপর আনভীর যে অমানুষিক মানুষিক নির্যাতন করেছিল সেটা জনসম্মুখে আমরা নাগরিক টিভি ইতিমধ্যে তুলে ধরেছি। আনভীর নামক এই  মাফিয়াদের হাত অনেক লম্বা সেটা আমরা জানি। কিন্তু জনগণ সজাগ থাকলে এবং মুনিয়া হত্যার বিচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরব থাকলে আমাদের বিশ্বাস ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে আনভীরকে বাঁচিয়ে দেবার প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যাবে। 

সূএ: নাগরিক টিভি

Post a Comment

Previous Post Next Post