শি'ক্ষা প্রতিষ্ঠা'নের ছুটি' আ'রও বাড়'তে পা'রে!




দে'শের স'ব শি'ক্ষাপ্র'তিষ্ঠান আ'গামী ৩'০ মা'র্চ খু'লছে না। শ'বে বরা'তের স'রকারি ছু'টি ২'৯ মা'র্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন খুলবে না। আর এ ছুটি আরও পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।


বুধ'বার (২৪ 'মার্চ) শি'ক্ষা মন্ত্র'ণালয়ে'র মা'ধ্যমিক ও উচ্চ'শিক্ষা বি'ভাগের স'চিব 'মো. মা'হবুব হো'সেন গণমা'ধ্যমকে এ ত'থ্য নিশ্চি'ত ক'রেছেন।


এছা'ড়া দে'শে করো'না সংক্র'মণ ঊর্ধ্ব'মুখী হও'য়ায় ঈ'দুল ফি'তর প'র্যন্ত ছুটি বাড়া'নো হ'তে পা'রে ব'লে বলে'ও জা'না গেছে।

মো'. মাহ'বুব হোসে'ন বলে'ন, সরকা'রি সি'দ্ধান্ত অনু'যায়ী আ'গামী ৩'০ 'মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও সেদিন শবে বরাতের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে সেদিন স্কুল-কলেজ খোলা হবে না।

তি'নি ব'লেন, বিষ'য়টি নি'য়ে দু-'একদি'নের মধ্যে' মাধ্য'মিক ও উচ্চ'শিক্ষা অধি'দফতরের (মাউশি) মহাপ'রিচালকের স'ঙ্গে আ'লোচনা ক'রা হবে'। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।

ছুটি' বাড়া'নোর বিষ'য়ে সচি'ব মো. মাহবু'ব হো'সেন বলে'ন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে জানিয়েছিলেন, আগামী ৩০ মার্চ দেশের সব স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে।

সেদিন তিনি বলেন, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ২৪ মে থেকে শুরু হবে এবং হল খুলবে ১৭ মে। এর আগে সব ধরনের পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। ১৭ মে এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের করোনা টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ধারণ করা হবে। 

গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। গত ২২ জানুয়ারি করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। 

এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্রস্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূর্তে সেগুলো খুলে দেয়া যেতে পারে।

করো'নাভাই:রাস পরিস্থি'তির কারণে গোটা বিশ্বকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এই প্রতিকূল স্রোতের মুখোমুখি বাংলাদেশও। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মতো বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা খাত। প্রায় ১২ মাস ধরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে কার্যক্রম চলমান।

Post a Comment

Previous Post Next Post