ফের করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ ছারাও সভা-সমাবেশ সীমিত করার আহব্বান করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন বিয়ের অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল সহ সকল অনুষ্ঠান সীমিত আকারে করার জন্য।এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। বর্তমানে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার দুটাই বেড়েছে।
লকডাউন প্রশ্নে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'স্বাস্থ্যবিধি মেলে চললে লকডাউন প্রয়োজন হবে না। তবে কিছু পরামর্শ সরকারকে আমরা দিয়েছি। আমরা নয়, লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।'
মন্ত্রী আরও বলেন, 'ভ্যাকসিন নিলেই কিন্তু আপনি সুরক্ষিত হয়ে গেলেন না, ওটাও মানবদেহে কার্যকর হতে সময় নেবে। কাজেই আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। লকডাউনের চিন্তা সরকার করে এবং সরকারের সকল সংস্থা মিলে বসে সিদ্ধান্ত হয়, সেই সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।'
এদিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ মহাপরিদর্শক জানান, করোনার সংক্রমণরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে ২১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, 'আমরা যে করোনার আকস্মিক ঊর্ধ্বগতি দেখছি এটাকে অবশ্যই আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সে কারণেই আমরা দেশবাসীকে অনুরোধ করব, সবাই যাতে করোনার স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে। ২১ মার্চ থেকে বাংলাদেশ পুলিশ এক বিশেষ অভিযান কর্মসূচী পালন করবে। এবং এটা যতদিন প্রয়োজন আমরা চালিয়ে যেতে চাই।'
