শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২১টি কোম্পানির মধ্যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) বেড়েছে ১১টি কোম্পানির। এগুলো হলো- এমসিএল(প্রাণ), এপেক্স ফুডস, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বিডি থাই ফুড, বিচ হ্যাচারি, ফাইন ফুডস, জেমিনি সী ফুড, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো, তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম, ন্যাশনাল টি এবং আরডি ফুড। একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে ৩ কোম্পানির। আলোচ্য সময়ে লোকসানে রয়েছে ৫ কোম্পানি। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেনি এমারেল্ড অয়েল ও ফু-ওয়াং ফুড। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে জেমিনি সী ফুডের। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৫১ পয়সা। আগের বছর যার পরিমাণ ছিল মাইনাস ৩ টাকা ২৪ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৬ টাকা ৭৫ পয়সা।
এএমসিএল-প্রাণ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছরে যার পরিমাণ ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩ পয়সা।
এপেক্স ফুডস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৩ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ৩৩ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ১০ পয়সা।
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস)
দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৭৯ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ৫ টাকা ৪৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা।
বিডি থাই ফুড: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ২৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩ পয়সা।
বিচ হ্যাচারি: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল মাইনাস ১০ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ১২ পয়সা।
ফাইন ফুডস: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০৩৯ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ০৩১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৭০ পয়সা।
গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল মাইনাস ২৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩২ পয়সা।
তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ১৩ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ২ পয়সা।
ন্যাশনাল টি: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ৩০ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৪ টাকা ৯১ পয়সা।
আরডি ফুড: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২১) শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ১৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ২২ পয়সা।
শেয়ারনিউজ, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২