উত্থান-পতন আলোচনায় দুই বিমা কোম্পানি

 


বিদায়ী সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের দুই কোম্পানি দর বৃদ্ধির শীর্ষে এবং দর পতনের শীর্ষে উঠে বিনিয়োগকারীদের আলোচনার খোরাকহয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো বিমা খাতের ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স ও ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স।

প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে দর বৃদ্ধি পাওয়া ১৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৪ শতাংশ দর বৃ্দ্ধি নিয়ে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স।

অন্যদিকে, আলোচ্য সপ্তাহে দরপতন হওয়া ২১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ দরপতন নিয়ে পতনের তালিকায় শীর্ষ স্থানে উঠেছেডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স।

গত সপ্তাহের দর বৃদ্ধি ও দর পতনের শীর্ষ কোম্পানি

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ফারইস্ট লাইফের দর বৃদ্ধির পেছনে ডিএসইর কারণ দর্শানোর জবাবে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর বৃ্দ্ধির পেছনে কোন সংবেদনশীল তথ্য নেই। তারপরও কোম্পানিটির দর ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

অন্যদিকে, পত্রিকান্তরে জানা যায় আলোচ্য সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে ডেল্টা লাইফের নতুন পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় কোম্পানিটির পক্ষে-বিপক্ষে চলমান সব মামলা-মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরফলে কোম্পানিটির দীর্ঘ তিন বছরের জমে থাকা ডিভিডেন্ড ঘোষণার পথও উম্মুক্ত হয়েছে। তারপরও কোম্পানিটির দর ধারাবাহিকভাবে কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি শিল্প গ্রুপ ফারইস্ট লাইফের শেয়ার কিনেছে। যে কারণে কোম্পানিটির শেয়ারদর ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। সপ্তাহটিতে কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে, এক বড় বিনিয়োগকারী ডেল্টা লাইফের শেয়ার ছেড়েছেন। তিনি কোম্পানিটির শেয়ারে বড় মুনাফা পেয়েছেন। যে কারণে কোম্পানিটি থেকে বড় অঙ্কের মুনাফা তুলেছেন। তার কাছে কোম্পনিটির সিংহভাগ শেয়ার ছিল। তার শেয়ার বিক্রির চাপে বিদায়ী সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তারপরও শেয়ারটির দরে ছিল বড় নেতিবাচক প্রবণতা।

সপ্তাহের শুরুতে ফারইস্ট লাইফের ওপেনিং প্রাইস ছিলো ৬৮ টাকা ৩০ পয়সা। সপ্তাহশেষে তা ৩০ টাকা বা ৪৩.৯২ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছে ৯৮ টাকা ৩০ পয়সায়।

অপরদিকে. সপ্তাহের শুরুতে ডেল্টা লাইফের ওপেনিং প্রাইস ছিলো ২১২ টাকা ৪০ পয়সা। সপ্তাহশেষে তা ২৬ টাকা ১০ পয়সা বা সাড়ে ১২.২৯ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ১৮৬ টাকা ৩০ পয়সায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post