ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৯ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে শনিবার স্থানীয় জনসাধারণ ধর্ষক মো. জনিকে (৩২) পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন।
জনি ওই কন্যাশিশুটিকে তিন দিন হাত-পা বেঁধে নিজ ঘরে আটকে রাখে। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটিকে শনিবার ভোরে রেখে যায় শিশুটির বাড়িতে।
জনি উপজেলার কোমরগঞ্জ এলাকায় হাসিম মেম্বারের বাড়িতে ভাড়া থাকে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়, তার পিতার নাম মো. নুরল ইসলাম। শিশুটিকে তিন দিন ধর্ষণ করে হাত-পা বেঁধে শিশুটির বসতঘরের সামনে রেখে যায় অভিযুক্ত জনি।
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপ-পরিদর্শক শ্রী অজিত কুমার রায়।
স্থানীয় জনসাধারণ জানান, গত তিন দিন ধরে শিশুকন্যাকে খুঁজে পাননি তার পিতা-মাতা। খোঁজ পেতে মাইকিং করেন তার স্বজনরা। পরে শনিবার ভোরে শিশুটিকে অভিযুক্ত ধর্ষক জনি হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় বসত ঘরের সামনে রেখে যায়। শিশুর মুখে তার পিতা-মাতা বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের জানালে এলাকাবাসী জনিকে আটক করে পুলিশে দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জনির বোন ময়না আক্তার (৩৬) বলেন, আমার ভাই দোষী হলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার করা হোক। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত জনির শাস্তি দাবি করেছে।
