বিপ্লবকে নিয়ে কেন এই তামাশা?

 


এটা এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে যে, টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে লেগ স্পিনাররা দারুণ কার্যকর। বাংলাদশ দলে লেগ স্পিনারের হাহাকার চিরদিনের। তরুণরা লেগি হতে চান না, কারা তারা উৎসাহটাই যে পান না। জাতীয় দল কিংবা ঘরোয়া ক্রিকে'টে লেগিদের কদর কম। লেগ স্পিনার তৈরিতে বোর্ডের কোনো উদ্যোগও নেই। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের লেজেগোবরে অবস্থার অনেকগুলো কারণের মাঝে এটাও একটি। আজ যেমন একাদশে থেকেও তামাশার শিকার হলেন আমিনুল ইস'লাম বিপ্লব।


পা'কিস্তানের বিপক্ষে আজকের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্পেশালিস্ট স্পিনার হিসেবে দলে সুযোগ পান আমিনুল ইস'লাম বিপ্লব। কিন্তু অবিশ্বা'স্য হলেও সত্য যে, পা'কিস্তানের রান তাড়ার সময় আমিনুলকে প্রথম ১৯ ওভা'রে বোলিংয়েই আনা হয়নি! তার হাতে বল তুলে দেওয়া হয় শেষ ওভা'রে। যখন জয়ের জন্য পা'কিস্তানের প্রয়োজন মাত্র ২ রান। প্রথম বলে রান না দিলেও আমিনুল দ্বিতীয় বলে শাদাব খানের ছক্কা হ'জম করেন। পা'কিস্তান জিতে যায় ৪ উইকে'টে।


এই মুহূর্তে জাতীয় দল বা এর আশেপাশে থাকা একমাত্র লেগ স্পিনার হলেন বিপ্লব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অ'তিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে দলের সঙ্গে সংযু'ক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ শুরুর আগে হুট করে তাকে আবার দেশে ফেরত পাঠানো হয়। না, কোনো অ'ভিযোগ ছিল না তার বি'রুদ্ধে। মূলপর্ব শুরুর আগে নাকি তার দেশে ফেরত আসার কথা ছিল- এমনটাই বলা হয়েছিল বিসিবির পক্ষ থেকে। অথচ, এবারের বিশ্বকাপে লেগ স্পিনাররা দারুণ দাপট দেখিয়েছেন।


যাই হোক, আজকের ম্যাচে আমিনুলকে শেষ ওভা'রের আগে বোলিং না দেওয়ার কারণও বেশ হাস্যকর। কারণ, তখন ক্রিজে ছিলেন দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ফখর জামান ও খুশদিল শাহ। আর বাংলাদেশের ক্রিকে'টে মুখস্ত থিওরি হলো, বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বাঁহাতি বোলার ব্যবহার করা যাবে না। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও বলেন, ‘পরিকল্পনা ছিল বোলিং করানোর। পরে যেহেতু দুটি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছিল, তাই আমাকে বোলিং করতে হয়।’ অথচ, ১৭ ওভা'রের মাঝে ওই দুই ব্যাটসম্যান আউট হলেও আমিনুলকে বোলিং দেওয়া হয়নি। বরং বল হাতে ওই সময় বেদম মা'র খান মু'স্তাফিজ আর শরীফুল।

Post a Comment

Previous Post Next Post