লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

 

ঈদুল আজহা সামনে রেখে লঞ্চযোগে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বাউফলে আসছেন। কিন্তু লঞ্চগুলোতে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ উঠেছে।


যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, লঞ্চে ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না উপরন্তু অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।


সূত্র জানায়, প্রতিদিন কালাইয়া টু ঢাকা থেকে দুইটি এবং ঢাকা টু কালাইয়া দুইটিসহ মোট চারটি দোতলা লঞ্চ যাতায়ত করছে। এই নৌরুটের লঞ্চগুলো হলো-পারাবত-১৪, ধুলিয়া-১, বন্ধন, ঈগল, ডায়মন্ড, টিপু-৩। এছাড়া পটুয়াখালী ভায়া বাউফলের বগা ও ঢাকা এবং ঢাকা ভায়া বগা ও পটুয়াখালী রুটে সুন্দরবন-৯, এয়ারখান, কাজল-৭,কুয়াকাটা-১, রাশেল-৪ ও জামাল -৫ লঞ্চ যাতায়াত করছে।


নাজমুল হাসান নামের এক যাত্রী অভিযোগ করেন, তিনি ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা সদর ঘাট থেকে কুয়াকাটা-১ দোতলা লঞ্চে ওঠেন। কেবিন না পেয়ে তিনি লঞ্চের নিচতলায় ডেকে আসন নেন। লঞ্চে তিল ধরণের ঠাঁই ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিন ফুট দূরত্বে যাত্রীদের অবস্থান করার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, লঞ্চে নির্দিষ্ট ভাড়ার থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হয়েছে। তার কাছ থেকে ডেক ভাড়া নেওয়া হয়েছে ৬০০ টাকা। এছাড়া সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১৫শ টাকা, ডাবল কেবিন ভাড়া ২৫শ থেকে তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়াকাটা লঞ্চের সুপারভাইজার কাঞ্চন আলী অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ডেকে জনপ্রতি ৩৩৮ টাকা ভাড়া। করোনাকালীন সময় ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী জনপ্রতি ভাড়া হয় ৬১২ টাকা। কিন্তু আমরা ১১২ টাকা কম রেখে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছি। তবে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিষয়ে তিনি কথা বলতে চাননি।

Post a Comment

Previous Post Next Post