এক খবরেই মিউচ্যুয়াল ফান্ড চাঙ্গা!

   




এখন থেকে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা হতে পারবে। গত সোমবার (৩ মে) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এমন একটি নির্দেশনার কথা জানায়।  নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদেশী যেকোন পাবলিক বা প্রাইভেট কোম্পানি দেশীয় যোগ্য উদ্যোক্তার সঙ্গে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা হতে পারবে। এক্ষেত্রে বিদেশী কোম্পানি একক বা 


যৌথভাবেও উদ্যোক্তা হতে পারবে। এক্ষেত্রে ট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৮২ অনুযায়ী ট্রাস্ট গঠন করতে হবে।  খবরটি প্রচার হওয়ার পরেরদিন অর্থাৎ গতকাল (বুধবার) মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর দরে বড় দাপট দেখা দেয়। ওইদিন তালিকাভুক্ত ৩৭টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বাড়ে ৩৩টির, দর কমে ১টির এবং দর অপরিবর্তিত থাকে ৩টির। এদিন ফান্ডগুলোর দর বৃদ্ধি পায় চোখে পড়ার মতো।     আজ দ্বিতীয় দিন খাতটির ইউনিট দরে দাপট আরও বেড়ে যায়। আজ ৩৭টি মিউচুয়াল ফান্ডের সবগুলো ফান্ডের দরই বেড়েছে। ডিএসইর দর বৃদ্ধির তালিকা জুড়ে রয়েছে আজ মিউচ্যুয়াল ফান্ড।  বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিএসইসির এক খবরেই মিউচ্যুয়াল ফান্ড চাঙ্গা। কিন্তু খবরটির কারণে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির কোন কারণ তাঁরা খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ বিএসইসির সিদ্ধান্ত নতুন মিউচ্যুয়াল ফান্ড আনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারে আছে, সেগুলোরতো কোন লাভ হবে না। তাহলে খাতজুড়ে 


এভাবে দর বাড়ার কোন যৌক্তিক্ততা আছে বলে তাঁরা মনে করেন না। সুযোগ সন্ধানীরা খাতটিতে মুনাফা লুটার ফন্দি-ফিকির চালাচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।     তবে তাঁরা স্বীকার করছেন, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি সত্যি সত্যি বাংলাদেশে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা হয়, তাহলে সেটি হবে অবশ্যই ইতিবাচক। তখন খাতটিতে অবশ্যই পজিটিভ প্রভাব পড়বে। কিন্তু সে সময়তো এখনো আসেনি। বিএসইসি মাত্র সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কতোটা আগ্রহী করতে পারবে-সেটা কেবল ভবিষ্যতই বলতে পারবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post