বাফেটের জীবন বদলে দেয় যে বই



পৃথিবী বিখ্যাত বিনিয়োগগুরু ওয়ারেন বাফেটের প্রতি আগ্রহ নেই এমন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তিনি কখন কি করেন তা নিয়ে আগ্রহের যেন কমতি নেই। তার বিনিয়োগ কৌশল জানার জন্য প্রতিদিন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইন্টারনেট দুনিয়ায় কত লক্ষ-হাজারবার খোঁজা হয় তার ইয়াত্তা নেই। কিন্তু আপনারা কি জানেন ওয়ারেন বাফেটের জীবন বদলে দিয়েছিল কোন বইগুলো?

বাফেট এমন একজন মানুষ যিনি প্রতিদিন হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও বই পড়তে ভোলেন না । চেষ্টা করেন দিনের অনেকাংশ সময় কোন না কোন বইয়ের পাতায় চোখ রাখতে। সকল ব্যস্ততার মধ্যেও অন্তত কয়েক শত পাতা বই পড়া চাই তার। ব্যবসায়িক সুদিন বা দুর্দিনে বিভিন্ন লেখকের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই বইগুলোতেই আশ্রয় খোঁজেন ওয়ারেন বাফেট।

বাফেটের জীবন বদলে দিয়েছিল যে ৮টি বই-তা তিনি উল্লেখ করেছেন বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে । যা প্রকাশিত হয়েছে বিজনেস ইনসাইডার-এ।
বেঞ্জামিন গ্রাহামের ‘দ্য ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টর’ ও ‘সিকিউরিটি অ্যানালাইসিস’, ফিলিপ ফিশারের ‘কমন স্টকস অ্যান্ড আনকমন প্রফিটস’, আমেরিকার সাবেক রাজস্ব মন্ত্রী টিম গিথনারের লেখা ‘স্ট্রেস টেস্ট: রিফ্লেক্সনস অন ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস’, জ্যাক ওয়েলচ-এর ‘জ্যাক : স্ট্রেইট ফ্রম দ্য গাট’, উইলিয়াম থর্নডাইকের লেখা ‘দ্য আউটসাইডার’, জন বগলের ‘দ্য ক্ল্যাশ অব দ্য কালচারস’ ও জন ব্রুকের ‘বিজনেস অ্যাডভেঞ্জারস : টুয়েলভ ক্লাসিকস টেলস ফ্রম দ্য ওয়ার্ল্ড অব ওয়াল স্ট্রিট’।

এরমধ্যে ‘দ্য ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টর’ বাফেট পড়েছিলেন ১৯ বছর বয়সে। যা তাকে শিখিয়েছিল কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। আর গ্রাহামের দ্বিতীয় বইটি বিনিয়োগ বাজারকে আরও পোক্ত করে। আমেরিকার সাবেক রাজস্ব মন্ত্রী টিম গিথনারের লেখা ‘স্ট্রেস টেস্ট: রিফ্লেক্সনস অন ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস’ ও জ্যাক ওয়েলচ-এর ‘জ্যাক : স্ট্রেইট ফ্রম দ্য গাট’ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, এই বই দুটি সকল ব্যবসায়ীর অবশ্য পাঠ্য। সবচেয়ে খারাপ সময়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে ভালো দিকে যেতে পারে তা জানা যাবে এই বই  থেকে। ২০১২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে লেখা এক চিঠিতে বাফেট ‘দ্য আউটসাইডার’ বইটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। পড়তে বলেছেন জন বগলের ‘দ্য ক্ল্যাশ অব দ্য কালচারস’ বইটিও।

Post a Comment

Previous Post Next Post