না খে'য়ে থা'কলে মানুষ কো'নো কিছু মা'নবে না





করোনা'র প্রথম ধাক্কা 'দেশের অর্থ'নীতি ও ব্যব'সা–বাণিজ্য বেশ ভালোভাবেই 'সামাল 'দিচ্ছিল। গত বছর দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল–জুন) করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেষ প্রান্তিক থেকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর) সার্বিকভাবে ব্যবসা–বাণিজ্য কিন্তু প্রায় আগের পর্যায়ে ফেরত গিয়েছিল।


আমরা ভালো করছিলাম, এ পর্যায়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এল আরও বড়ভাবে। এবার ব্যবসা–বাণিজ্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরও কঠিন হবে। কারণ, একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যারা ভালো করছিল, তারাই করোনার মধ্যে ভালো করেছে। আর যারা সংকটে পড়েছে, তারা কিন্তু সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

যেসব মানুষ চাকরি হারিয়েছিল, তারা কেবল কাজ পেতে শুরু করেছিল। যাদের পরিবারে কারও করোনা হয়েছে, তাদের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে চিকিৎসা করাতে গিয়ে। আর এবার রোগী অনেক বেড়ে যাওয়ায় মানুষ হঠাৎ করেই ভীত হয়ে পড়েছে।


বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে উৎপাদন ও বিক্রি সচল রাখতে কী করণীয়, তা নিয়ে কোম্পানির বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে আলোচনা করেছি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেব। কর্মীদের চাঙা রাখতে হবে। তাদের ভীতি দূর করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।


সরকার করোনার শুরুর দিকে ব্যবসার জন্য যে প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়েছিল, তা খুব কার্যকর হয়েছে। এ দফায় যদি প্রয়োজন হয়, একই রকম প্রণোদনার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার পরামর্শ হবে, উৎপাদন ও বিক্রি সচল রাখার ব্যবস্থা রাখা। কারণ, ব্যবসা সচল না থাকলে মানুষের জীবিকার ওপরে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। না খেয়ে থাকলে মানুষ কোনো কিছু মানবে না।

 

লেখা

সৈয়দ আলমগীর, গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), আকিজ ভেঞ্চারস


সূএ:প্রথম আলো

Post a Comment

Previous Post Next Post