আমি নাকি ওকে দিয়ে ব্যবসা করাই, কাঁদতে কাঁদতে বললেন মুনিয়ার বোন



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বি’ষয়ে করা বেশ কিছু মন্তব্য তুলে ধ’রা হলো-

সুচিন্ত জানান, ‘দ্বিতীয় বর্ষের ছা’ত্রী এক শিল্পপতির আয়ত্তে লাখ টাকা দামের ফ্ল্যাটে থাকতেন,তাও পরিবার ছাড়া। তার মানে পরিবারও জানতো কার সাথে সম্প’র্কিত ছিল। লাক্সারি লাইফে নয়,অল্পতে খুশি হওয়াতে রয়েছে প্রকৃত সু’খ।

‘লো’ভে পাপ,পাপে মৃ’ত্যু’। এই ঘ’টনা থেকে বর্তমান প্রজ’ন্মের তরুণ-তরুণীদের ও অবিভাবকদের অনেক কিছু শেখার আছে। এই ঘ’টনার সাথে যে বা যারা জ’ড়িত রয়েছেন,তাদের শা’স্তি হোক কঠোর’। ফারুক নামে একজন লিখেছেন, ‘গুলশানে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে হলে

আপনাকে মাসিক নূন্যতম লাখের উপরে টাকা উপার্জন করতে হবে। কলেজে ২য় বর্ষে পড়ুয়া শিক্ষার্থী নিশ্চয়ই লেখাপড়ার পাশাপাশি ঐ শিল্পপতির প্রতিষ্ঠানে ভালো চাকরি করতেন। তার এই সফলতা দেখে স্বার্থান্বেষী মহলের ষ’ড়যন্ত্রের শি’কার হয়ে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে হল। শিল্পপতিরা থাকুক সু’খে, আ’গুন জ্বলুক গ্রাম থেকে ঢাকায় লেখাপড়া করতে আসা সুন্দরী মে’য়েদের বুকে!

শিল্পী নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘এ কেমন পরিবার ! একটা অবিবা’হিত মে’য়ে একা একটা ফ্ল্যাটে কিভাবে ভাড়া নিয়ে থাকে ! পরিবারের দায়িত্বহীনতার কারণে আজ মে’য়েটার এই পরিনীতি’!

আরেকজনের মন্তব্য হচ্ছে, ‘একা থাকার কারণে মানুষ সবকিছু করতে পারে।যার ফলাফল আত্মহ’ত্যা। ২য় বর্ষের একটা মেধাবী মে’য়ে এভাবে চলে যাওয়া সত্যি দুঃখজনক।

পরিবারগুলোর আরো সচেতনতা বাড়ানো উচিত কারণ তাদের অনুপস্হিতিতে তার স’ন্তানেরা কেমন আছে ,কি করছে সেসব বি’ষয়ে খোঁজখবর নেওয়া। ঘ’টনার সুষ্ঠু ত’দন্ত হোক ‘।

শফিক লিখেছেন, ‘বিয়ে করা বউ স’ন্তানদের পাশাপাশি ভা’র্সিটির সেরা সুন্দরী, উঠতি বয়সী মডেল কিংবা প্রতিষ্ঠানে কর্ম’রত সুন্দরীরা একজন শিল্পপতির মনোরঞ্জনে প্রতিনিধিত্ব করতেই পারে এবং তা স্বাভাবিক। কিন্তু কুমিল্লা থেকে এসে গুলশানের মতো জায়গা ফ্লাট বাড়ি ভাড়া করে মুক্তিযোদ্ধার কলেজ পড়ুয়া সুন্দরী মেয়ের একা থাকা’টা পুরাই অস্বাভাবিক। শিল্পপতি যদি হ’ত্যাকারী হয়, তরুণীর বাবা মা হবে হ’ত্যাকারীর সহযোগী। লো’ভে পাপ, পাপে পল্টি’!

আশরাফের মন্তব্য হচ্ছে, ‘মে’য়েটা একটা লো’ভী – প্রে’মের সম্প’র্ক তৈরি করে শিল্পপতির গৃহবধু বা ধ’নী পরিবারের সদস্য হওয়ার আশায় দীর্ঘদিন সম্প’র্ক চা’লিয়ে গিয়েছিলো — কিন্তু সে নিজে ও জানতো ব’য়স্ক এই লোকের বউ আছে এবং ফ্যামিলিগত ভাবে ও বিয়ে করা সম্ভব ও না – তারপরে ও শারীরীক সম্প’র্ক করেছে , আর্থিক সুবিধা নিয়েছে , বড় বোন এবং আপন মা ও সব জেনে কিছু ই বলে নি ইন্টারপড়ুয়া মে’য়ে কে দিয়ে টাকা পয়সা সম্পদ নেয়ার তা’লে ছিলো—-নয়তো এতোদিন তারা তাদের বাড়ি ছাড়া মে’য়েকে বা’ধা দিলো না কেন –অল্প ব’য়সে পেকে গেলে এমনই হয়’।

শিপলু লিখেছেন, ‘এদেশের অনেক বাবা-মা ই তার মে’য়েকে দিয়ে চামড়ার ব্যবসা করাই!(গরু খাসি দুম্বার চামড়া ভাইবেন না আবার)!পরাম’র্শ দেয়;যাও মা; বড় দান মে’রে আসো।ছোটখাটো কোন খ্যাপ মা’রবা না!!!! গুরুদয়ালের কী'’’ নীলাখেলা যে এমন দানই মা’রছে যে, সেই দানবীর মোহাসীনের নাম মনেমনে উচ্চারণ করতেও পারবে না!!!! লক্ষ্মী সোনা, আমা’র সাথে প্রে’ম করলে ফ্লাট না পাইলেও অন্ত্যত বিঁচার তো পাইতা।এখন তো আম ছালা আঠি চামড়া সবই গেল!!!!!! আসমানের মালিকের ছাড়া অন্য কোন বিঁচারব্যবস্তার পর আর তেমন আস্তা নেই !!!!’

লিজার মন্তব্য হচ্ছে, হাজার তরুন তরুনী গ্রাম-মফস্বল ছেড়ে শহরে আসে লেখাপড়া করতে। তার মানে এই না যে তারা সবাই অন্যের দাসী/রক্ষিতা হয়ে জীবনযাপন করে।। কিছু কিছু মে’য়ে পারিবারিক কন্ট্রোল এর বাইরে গিয়ে, স’ঙ্গ দোষে খা’রাপ পথে পা বাড়ায়,লাক্সারিয়াস লাইফ লিড করতে গিয়ে ভু’ল সি’দ্ধান্ত নেয়।। এর মানে সকল মে’য়েই খা’রাপ নয়। তাহলে আপনার, আমা’র যত বোনেরা লেখাপড়া করতে শহরে এসেছে সবাই খা’রাপ – কিন্তু আপনি জানেন আপনার আমা’র বোন তেমনটা নয়।। যে ব্যক্তি ক্ষ’মতা আর টাকার জো’রে একটা মে’য়ে কে লাখ টাকার ভাড়া ফ্লাটে রাখতে পারে, না জানি সে এমনভাবে কত মে’য়ের জীবন নিয়ে খেলা করেছে।। আর সেই মে’য়েকেই ৫০ লাখ টাকা চু’রির দায়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছে।। মে’য়েটার চরিত্র তো খা’রাপ,কিন্তু সেই ক্ষ’মতাবান পুরু’ষটির চরিত্র কেমন!! তাকে কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছেনা? সকল মিডিয়া কেন তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক? জবাব চাই, বিচার চাই!!

জাকের বলেছেন, ‘ইস’লামে এই জন্য ই পারিবারিক গাইডেন্সের বেপারে বলেছেন। নিজের কলেজ পড়ুয়া ছে’লে মে’য়ে কি করে কই যায় সেটার সঠিক তদারকি খুব জরুরী বাবা মায়ের জন্য। কলেজে পড়ে মে’য়ে কেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ফ্ল্যাটে একা থাকতে হবে? সে এই টাকা পায় কই থেকে? কারা স’ঙ্গ দিচ্ছে? এই প্রশ্ন গুলো একজন বাবা মায়ের দরকার ছিল করার। ম’রা পরে খুজ করে মা’মলা না দিয়ে আগে থেকে সাবধান হলে এমন কিছু দেখতে হত না পরিবার কে’।

সুলতান লিখেছেন, ‘এটাকে বলে ‘ইকোনমিক সাইন্স অব রিলেশনশীপ’। বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি একটা ইন্টার পড়ুয়া মে’য়েকে টাকা পয়সার বৃত্তে ফে’লে লালসা চরিতার্থ করছে। রক্ষিতা করে রাখছে। আপনি কি মনে করেন মে’য়ের পরিবার জানে না? অবশ্যই জানে। এইচএসসিতে পড়া গ্রামের একটা মে’য়ে ঢাকায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা ভাড়া করা বাসায় থাকে। তাও পরিবার ছাড়া একাই। ইজ ইট পসিবল? টাকার পিছনে মে’য়ে,পরিবার একত্রে ছুটেছে। সম্ভ্রম বিকিয়ে দিয়েছে। সেই মে’য়ের পরিণতি যে এ ধরনের মৃ’ত্যু সেটা স্বাভাবিকভাবেই অনুমেয়। হয়তো যা দুইদিন পরে ঘটার কথা ছিল তা দুইদিন আগেই ঘটে গেছে। দোষী হলে শুয়োরের বাচ্চারআ উপযু’ক্ত শা’স্তি চাই। কিন্তু এ ধরনের মে’য়ের জন্য কোনো সমবেদনা নেই। কারণ বাংলাদেশে বসবাস করে এরা ওয়েস্টার্ন কালচারের স্বাদ ভোগ করতে চায়’।

Post a Comment

Previous Post Next Post