অবিশ্বাস্যকর ঘটনা! বাড়ির মধ্যেই হেলিকপ্টার বানিয়ে আকাশে উড়ে তাক লাগলেন যুবক, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

 

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। সময়ের সাথে সাথে বিজ্ঞান আরো উন্নত হতে চলেছে। খাবার জীবনে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দৈনন্দিন জীবনযাত্রা






সব কিছু শুরু করে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশ উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু হয়ে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় অবদান।






সারা পৃথিবীতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সব কিছু কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া অচল পৃথিবীতে করেছে সচল।






পৃথিবীতে সব থেকে উন্নত হলে মানুষের মস্তিষ্ক। পৃথিবীর প্রত্যেকটি জীবের মধ্যে সবথেকে উন্নত স্নায়ুতন্ত্র দেখা যায় একমাত্র মানুষের দেহের মস্তিষ্ক।






যুগে যুগে বিজ্ঞান এর সমস্ত অসম্ভব আবিষ্কার গুলিকে সম্ভব করেছে একমাত্র মানুষের মস্তিষ্কের উন্নত চিন্তা ধারা। যুগ বদলাচ্ছে এবং বিজ্ঞান আরো উন্নতি করছে।






উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মোবাইল ফোনের আবিষ্কারের সময় তা ছিল একটি বড় ঘরের মতোই বৃহদাকার, কিন্তু এখন বর্তমানে বিজ্ঞানের






উন্নতির সাথে সাথে মোবাইল এখন আমাদের সকলের হাতের মুঠোর মধ্যে এসে গেছে। হেলিকপ্টার যন্ত্রটিকে তো আমরা সকলেই জানি।






এই যন্ত্রটি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সম্যক। কিন্তু ঘরে বসেই যদি আমরা বানিয়ে ফেলি হেলিকপ্টার? সম্প্রতি অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন বৃটেনের এক ভদ্রলোক।






ভদ্রলোক বলেছেন, এই কাজটি করতে তার খরচ হয়েছে 6 হাজার ডলার। এই ক্ষেত্রে তিনি একটি বসার চেয়ার এর সঙ্গে 54 টি ড্রোন যুক্ত করেছেন একসাথে।






এমনকি যন্ত্রটিতে একটি ছাতা লাগানোর ব্যবস্থাও করেছেন। প্রথমবার যন্ত্রটি নিয়ে ওড়ার ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার।






মুহূর্তের মধ্যেই এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে গোটা দুনিয়ায়। ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম ইউটিউব সব জায়গায় ভাইরাল হয়ে গেছে 54 টি ড্রোন


হেলিকপ্টার এর মত অবস্থায় তার একসাথে ওড়ার ভিডিও। তবে 15 ফুটের বেশি এই যন্ত্রটি এখনও উঠতে পারছে না।




তবে সময় সময় এই যন্ত্রটি ত্রুটি গুলি পূরণ করে আরো উন্নত যন্ত্র তৈরি করা যাবে বলে জানিয়েছেন ভদ্রলোক।


ভিডিওটি সম্পর্কে তথ্য পোস্ট করা হয়েছে মজার ভিডিও নামে এক অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে। হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি লাইক করেছে।




কমেন্ট বক্সে সবাই ভদ্রলোকটি কে কুর্নিশ জানিয়েছেন তার আবিষ্কারের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া নানা অদ্ভুত এবং শিক্ষামূলক ভিডিওগুলি আমরা দেখতে পাই।




সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞানের নানা রকম অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার আর কথাও আমরা জানতে পারি। সোশ্যাল মিডিয়াকে জানায় কুর্নিশ তাদের এই প্রচেষ্টার জন্য।

Post a Comment

Previous Post Next Post