‘একটা নিউজ করেন ভাই, আমার মেয়েকে বাঁচান’

 

একটা নিউজ করেন ভাই। আমার মেয়েকে বাঁচান।’- সাংবাদিককে সামনে পেয়ে কান্নাজড়িত এই আকুতি জানালেন এক মা। 


পাবনার চাটমোহরের পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বড়গুয়াখড়া গ্রামের আসমা খাতুনের কণ্ঠে ঝরল এই আকুতি।



কিডনীর জটিল রোগে ভুগছে তার আঠার মাস বয়সী কন্যা মাইশা। মাইশার মুখমন্ডল ও শরীর ফুলে গেছে। আরামদায়ক ঘুম এ বয়সেই কপাল থেকে উধাও হয়ে গেছে তার। অসহনীয় যন্ত্রণায় বিছানায় ছটফট করেই শিশুটির কাটে প্রতিটি রাত। মাও নির্ঘুম রাত কাটান মেয়ের যন্ত্রণা দেখে কাঁদতে কাঁদতে।


একমাত্র মেয়ের কষ্ট মুখ বুঝে সহ্য করা ছাড়া উপায় নেই নির্মাণশ্রমিক বাবা মনিরুল ইসলাম ও মা আসমা খাতুনের। 


চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোমলমতি মাইশার কিডনীতে চর্বি জমেছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তা সারিয়ে ফেলা সম্ভব। এ চিকিৎসায় ব্যয় করতে হবে অনেক টাকা। নতুবা শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হবে না! 


চিকিৎসকদের মুখে এমন কথা শুনে মাথায় বাজ পড়েছে দিনমজুর মনিরুল ইসলামের। 


করোনাকালীন সময়ে যেখান কর্মহীন হয়ে ঠিক মতো দু-বেলা খাবার খরচ জোগানো দায়, সেখানে মেয়ের চিকিৎসায় এত অর্থ কোথায় পাবেন! ডুকরে ডুকরে কাঁদা ছাড়া অসহায় বাবা-মার আর কিছুই করার নেই।

Post a Comment

Previous Post Next Post