গাইবান্ধায় ছাত্রীর সাথে শিক্ষকের অ'বৈধ স'ম্পর্কের ভি'ডিও ফাঁস

 



গাই'বান্ধার সুন্দর'গঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে সম্ভ্র'মহানির বিচার চেয়ে মে'য়েকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন দরিদ্র এক পিতা। তথ্যে জানা যায়, উপজেলার দঃ মরুদহ গ্রামের দেলোওয়ার হোসেনের মেয়ে শোভাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখা-পড়া করত। এ সুযোগে ঐ ছাত্রীর দিকে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে সহকারী শিক্ষক শফিউল ইসলামের।

শোভা'গঞ্জ বাজা'রস্থ শি'ক্ষক তার প্রাইভেট পড়ানোর রুমে নিয়ে ছাত্রীকে প্রেম নিবেদন করে একপর্যায়ে। ফুঁসলিয়ে প্রেমের নানা বাহানায় মেলামেশা চালাতে থাকে। আর এই মেলামেশার দৃশ্য নিজের মোবাইল ফোনে আর এক ছাত্রীকে দিয়ে ক্যামেরাবন্দী করিয়ে নেয় লম্পট ঐ শিক্ষক। মোবাইল ফোনে ধারণকৃত চিত্র দেখিয়ে দীর্ঘদিন জিম্মি করে রাখে ছাত্রীকে। লোক-সমাজের ভয় দেখিয়ে ইচ্ছানুযায়ী দিনের পর দিন ছাত্রীকে ধর্ষণ করতে থাকে সে।

২০০৯ ইং সালে এসএসসি পাশের পর ছাত্রীকে স্থানীয় ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হতে চাপ সৃষ্টি করে সে। এরপর ঐ ছাত্রী গাইবান্ধা সরকারী কলেজে ভর্তি হলে শিক্ষকের ইচ্ছানুয়ারী সাড়া দিতে অপারগতা প্রকাশ করে সে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক শফিউল তার মোবাইল ফোনে ধারণকৃত চিত্রগুলো প্রকাশ করে দেয়।

এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে ছাত্রীর পিতা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট করে বিচার চেয়ে আবেদন করেন। এ মর্মে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে আহবায়ক করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু কোন রহস্যজনক কারণে দীর্ঘদিনেও প্রতিবেদন দাখিল করেনি তদন্ত কমিটি। শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিচার চাওয়ায় এখন প্রাণ ভয়ে মেয়েকে নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অসহায় দরিদ্র পিতা।


এব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, মৌলভী শিক্ষক ও এলাকাবাসী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘শিক্ষক শফিউল (বিএসসি-গণিত) এরূপ ঘটনা বারবার ঘটিয়েই চলেছে। ইতোপূর্বে একছাত্রী অভিভাবক আদালতে মামলাও করেছিলেন ঐ শিক্ষকের বিরূদ্ধে। পরে মীমাংসার মাধ্যমে ঐ মামলা তুলে নেয়া হয়। অনেকবার সারিশের মাধ্যমে শিক্ষককে ক্ষমা করা হয়েছে। আর সম্ভব নয় কারণ এটি বালিকা বিদ্যালয়।’

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন-তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post