"বর্তমানে বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত" এমন মন্তব্য করেন ৫৭ মুসলিম রাষ্ট্রের জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) মহাসচিব ইউসেফ বিন আহমাদ আল-ওতাইমিন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে এবং জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে ওআইসিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তখন থেকে বাংলাদেশ এই সংস্থার বিভিন্ন কর্মসূচিতে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে যা ইসলামিক সংহতির একটি উদাহরণ। দ্বিতীয় ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর যোগ দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল ইসলামিক দুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবন বৈষম্য ও অসমতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এবং সোনার বাংলা গড়ার জন্য চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। মানুষের জন্য তিনি যা করেছেন সেটি সবসময় সবাই মনে রাখবে এবং প্রশংসা করবে। পিতার মতো কন্যাও বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন এবং বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরের জন্য কাজ করছেন। বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব উপলক্ষে শনিবার প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি।
