পুঁজি'বাজারে চ'রম অ'স্থিরতা,বিনিয়োগকারী'দের মধ্যে নানা 'ক্ষোভ সৃষ্টি


  থেকে ছুটে যায় সেখানে কি ঘটেছে সেগুলো দেখতে


এবং সেখানে গিয়ে তারা রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়ে সেখানে যে ঘ’টনা ঘটেছে সেটি দেখে সেখানে গিয়ে তারা দেখে হামে ঘরের মধ্যে দে'শের পুঁজিবাজারে ২০১৯ সা'লের শুরুতে কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ৫৩'৮৬ থেকে ৫৯৫০ পয়ে'ন্টে উঠে যায়। আর এর'পরে শুরু হয় টানা ধস নামতে থাকে। আর তৈরী হয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা। তেমনি একইপথে চলছে বর্তমান দেশের পুঁজিবাজার। এবা'রও সূচ'কটি ৫৯০৯ পয়েন্টে উঠার পরেই টানা নামতে শুরু করেছে। যার ফলে পূর্বের ন্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিশনের সমালোচনা শুরু করেছে বিনিয়োগকারীরা।এদি'কে বাজা'র সংশ্লিষ্ট'দের মতে, গ'ত কয়েক'দিনের করো'না বৃদ্ধি'র প্রভা'ব পুঁজি'বাজারে কিছুটা নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তবে পুঁজিবাজারে পতন আরও আগে থেকে। সেটা সেই ১৭ জানুয়ারি থেকে। যে পতনে বীমার শেয়ারে নৈরাজ্যের শাস্তি না হওয়া, হাজার হাজার কোটি টাকা আগমনের স্বপ্ন দেখালেও তার প্রতিফলন না হওয়া, বিএসই'সি চেয়ারম্যা'নের বী'মা ও মিউ'চ্যুয়াল ফান্ড' খাত এবং রবি'র শে'য়ার ভালো' হও'য়ার বক্তব্যে বিনিয়ো'গ করে লোক'সানে হতা'শা হওয়া ভূ'মিকা রে'খেছে.

তাছাড়া দেখা গেছে, ২০১৯ সালের শুরুতে মূল্যসূচক ছিল ৫৪৬৫ পয়েন্ট। যা ২৪ জানুয়ারি বেড়ে হয় ৫৯৫০ পয়েন্ট। কিন্তু এরপরে পুরো মার্চ মাস জুড়ে চলে পতন। এছাড়া আরও পতনে ১০ এপ্রিল সূচকটি নেমে যায় ৫২৬২ পয়েন্টে। এই পতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরী হয় অস্থিরতা। বিনিয়োগকারীরা নামে রাজপথে। বিভিন্ন স্লোগান দেয় কমিশনের বিরুদ্ধে.

আবারও ২ বছরের ব্যবধানে ২০২১ সালে একই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এ বছরের শুরুতে মূল্যসূচক ছিল ৫৪০২ পয়েন্ট। যা ১৪ জানুয়ারি ৫৯০৯ পয়েন্টে উঠে যায়। কিন্তু এখন রয়েছে ধারাবাহিক পতনে। যাতে ৩১ মার্চ সূচকটি নেমে এসেছে ৫২৭৮ পয়েন্টে। এবারও ধসের কারনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরী হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। যে কারনে এবার রাজপথে না নামলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিশনের সমালোচনা করছেন বিনিয়োগকারীরা. থেকে ছুটে যায় সেখানে কি ঘটেছে সেগুলো দেখতে


এবং সেখানে গিয়ে তারা রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়ে সেখানে যে ঘ’টনা ঘটেছে সেটি দেখে সেখানে গিয়ে তারা দেখে হামে ঘরের মধ্যে

কিন্তু দেশের পুঁজিবাজারে দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশনে বিনিয়োগকারীদের অনেক আস্থা তৈরী হয়েছিল। এই কমিশনের শুরুতে অনিয়মকারীদের বড় বড় শাস্তি প্রদান, সংস্কার ও বিভিন্ন ইস্যুতে চেয়ারম্যানের আশার বাণি বিনিয়োগকারীদেরকে বাজারমূখী করে তোলে। এছাড়া বড় সমালোচনার জায়গা কিছু কোম্পানির আইপিও বাতিল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভালো কোম্পানি আসার প্রত্যাশা তৈরী করে.

তবে সময়ের ব্যবধানে কমিশন আগের অবস্থান থেকে সড়ে এসেছে। এখন আর কমিশন'কে অনিয়'মের বিরু'দ্ধে কঠো'র হতে দেখা' যায় না। তাই''তো গ'ণমাধ্যমে' বি'মা খাতে'র শে'য়ার কার'সাজি নি'য়ে দ'লিল প্রকা'শের পরেও কাউকে শাস্তি পেতে হয়নি। এছাড়া ভালো কোম্পানি আসার প্রত্যাশায়ও ভাটা পড়েছে থেকে ছুটে যায় সেখানে কি ঘটেছে সেগুলো দেখতে


এবং সেখানে গিয়ে তারা রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়ে সেখানে যে ঘ’টনা ঘটেছে সেটি দেখে সেখানে গিয়ে তারা দেখে হামে ঘরের মধ্যে .

এমন'কি কমি'শনের চেয়ারম্যানের একেক সময় একেক খাতের কোম্পানি ভালো করবে, এমন বক্তব্যে আশাবাদি হয়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে লোকসান করে আস্থাহীনতা তৈরী হয়েছে। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের ৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ, অদাবিকৃত ২০ হাজার কোটি টাকার লভ্যাংশসহ বিভিন্ন ফান্ড পুঁজিবাজারে আসছে বলে যে প্রচারণা চালানো হয়েছে, তারও কোন বাস্তবে রুপ দেখতে না পেরে হতাশ হয়েছে বিনিয়োগকারীরা

তাছাড়া কমিশ'নের কর্ম'কাণ্ডে বিনিয়োগকারী'দের ম'ধ্যে হতাশা' তৈরী'র পাশা'পাশি গত কয়ে'কদিনে ক'রোনা মহামা'রির আ'কার পূণ':রায় বৃ'দ্ধিও পুঁজি'বাজারে নেতি'বাচক প্রভা'ব ফে'লছে। এদি'কে গত ক'য়েকদিন যাবৎ দে'শে রে'কর্ড করোনা রোগী সনাক্ত হচ্ছে। এছাড়া এক সংখ্যার ঘর থেকে মৃত্যুর পরিমাণ পঞ্চাশোর্ধ উঠে গেছে। এতে করে আবারও বিক্রির চাপ তৈরী হয়েছে।

 এবিষয়ে প্রথম সারির এক ব্রোকারেজ হাউজের শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, করোনার প্রভাব বাজারে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। কিন্তু কমিশনের পক্ষ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ আসার খবরও চলমান বাজারে বড় ভূমিকা রাখছে।আর কমিশ'নের বিনিয়ো'গ আসার দাবিতে বিনিয়োগকা'রীদের মধ্যে 'আস্থা তৈ'রী হলেও সেই বিনিয়োগের খবর নেই। যাতে তৈরী হয়েছে হতাশা। তাই পুঁজিবাজারে অগ্রিম খবর দিয়ে প্রত্যাশা তৈরী করা ঠিক না। যখন আসবে, তখন বলাই ভালো। থেকে ছুটে যায় সেখানে কি ঘটেছে সেগুলো দেখতে


এবং সেখানে গিয়ে তারা রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়ে সেখানে যে ঘ’টনা ঘটেছে সেটি দেখে সেখানে গিয়ে তারা দেখে হামে ঘরের মধ্যে


Post a Comment

Previous Post Next Post