তারকা'দের দলবদ'লের খে'লায় জমে উঠেছে পশ্চিমব'ঙ্গের নির্বা'চন

 ভারতে'র পশ্চিমব'ঙ্গ রাজ্য স'রকার নি'র্বাচনে রাজনীতির ময়দানে খবরের শিরোনামে এখন তারকারা। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে প্রতিদিনই গেরুয়া শিবির তথা পদ্মফুল অথবা তৃণমূলের ঘাসফুলে নাম লেখাচ্ছেন অনেকে।


সোশ্যাল মিডি'য়ায় বেশ ঘ'টা করে দ'লের প্র'চার কার্যক্র'মও চালা'চ্ছেন। ২৭ মা'র্চ থেকে ২৯ এপ্রিল- দীর্ঘ এক মাসে'রও বেশি স'ময় ধরে প'শ্চিমবঙ্গে চলবে ভোট'গ্রহণ। শুধু বাং'লায় কে'ন এত বেশি দফায় ভোটগ্রহ'ণ, এই নি'য়ে রাজ্যে'র রাজ'নৈতিক অঙ্গনে তর্কবি'তর্ক থাক'লেও সেটি ছা'পিয়ে গেছে তারকা'দের দলবদলের খেলা।




এরই মধ্যে টালিউ'ডের অনেক তার'কাই পেয়ে গেছেন মমতা ব্যানার্জির দলের টিকিট। মিমি, নুসরাত জাহান, দেবরা দল'টির কেন্দ্রী'য় রাজ'নীতির সঙ্গে আগে থেকেই স'ম্পৃক্ত। নতুন করে রাজ্যে'র বাঁকুড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার টিকিট পেয়েছেন নায়িকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। নায়ক সোহম চক্রবর্তী নির্বাচন করছেন চণ্ডীপুর থেকে। অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আসানসোল দক্ষিণে। পরিচালক রাজ চক্রবর্তী দাঁড়িয়েছেন ব্যারাকপুর থেকে। কীর্তনশিল্পী অদিতি মুন্সি নির্বাচন করছেন রাজারহাট-গোপালপুর আসনে। আলিপুরদুয়ারে প্রার্থী হয়েছেন টিভি অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তী। নায়িকা কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে ঘাসফুলের প্রার্থী হিসাবে দেখা যাবে কৃষ্ণনগর উত্তরে। অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক প্রার্থী হয়েছেন উত্তরপাড়ার আসন থেকে। তৃণমূলে আরও যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া, মানালি দে ও সুদেষ্ণা রায়।



এ তো গেল ঘাসফু'লের কথা। গেরু'য়া শি'বির তথা বিজেপির পদ্মফুল নিয়েও লড়তে প্রস্তুত টালিউডের অনেক তারকা। এরই মধ্যে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, যশ দাশগুপ্ত, নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি ও পায়েল সরকার।




নির্বা'চনী খেলায় একে'বারে শেষে এ'সে চমক দেখিয়েছেন ‘ফাটাকেষ্ট’খ্যাত মিঠুন চক্রবর্তী। দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হয়ে দায়িত্ব পালন করলেও এবারের নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এ অভিনেতা।



ভারতের কেন্দ্রী'য় কিংবা রাজ্য'ভিত্তিক রা'জনীতির সঙ্গে আরও অনেক তারকা যুক্ত থাকলেও নির্বাচনে তারকাদের সম্পৃক্ততা নিয়ে সোশ্যাল মিডি'য়ায় বেশ ট্রলও হচ্ছে। বিশেষ করে নায়িকা'রা প্রার্থী হওয়ার কারণে শুনতে হচ্ছে আপত্তিকর মন্তব্য ও বিদ্রুপ। তৃণমূ'লে সদ্য যোগ দেওয়া পরিচা'লক সুদে'ষ্ণা রায় এ প্রসঙ্গে ভার'তীয় গণমাধ্য'মকে বলেন, ‘নারীরাই বেশিরভাগ আক্রমণের নিশানা। নোংরা নোংরা কথা বলা হচ্ছে। এটা পুরো নারী জাতির অপমান। আগে মিমি ও নুসরাতকে ট্রল করা হতো। তারা কাজ করেছেন, নিজেদের প্রমাণ করেছেন, ফলে ট্রল অনেকটা কমেছে। নেতিবাচক মন্তব্য যার সম্পর্কে করা হচ্ছে, তিনি ছোট হচ্ছেন না, বরং যিনি মন্তব্য করছেন তিনিই ছোট মনের পরিচয় দিচ্ছেন।’



বিজেপি'তে নাম লেখানো নায়িকা পায়ে'ল সরকার বলেন, ‘এমনিতেই তারকাদের নিয়ে সব সময়ই কটু কথা চলতে থাকে। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর তা মাত্রাতি'রিক্ত হয়ে গেছে। ট্রলিংয়ের শিকার হতে হয় প্রতিনিয়ত। নেতিবাচক মন্তব্য 'বা ট্রলিংকে খুব বেশি সিরিয়াস নেওয়া উচিত নয়। আমি যা চাই, তাতেই আমায় ফোকাস করতে হবে। নেতিবাচক বিষয়কে অগ্রাধিকার দিলে আসল কাজের ক্ষতি।’



তৃণমূলে যোগ দেও'য়ার কিছুদিন আ'গে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকেও একচোট নিয়েছেন ট্রলকারীরা। ছবির দৃশ্য ভাইরাল করে নায়িকার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছিল অন্তর্জালে'। তবে সায়নী সেসব পাত্তা না দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করে লিখেছিলেন- ‘চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ যেথা শির’।


Post a Comment

Previous Post Next Post