করলার ঔষধি গুনাগুন জানুন! অভাক হবেন জানলে

 


করলাকে অনেকে তিক্ত স্বাদের জন্য পছন্দ করেন না। বাচ্চারা তো এ খাবার দেখতেই পারেন না। তবে নিয়মিত করলা খাওয়ার ফলে ক্ষতির থেকে বরং উপকারই বেশি পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, উচ্ছে বা করলা শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস দূর করতেও সহায়তা করে। নিয়মিত করলা খাওয়ার মহৌষধি গুণাগুণের কথা তুলে ধরা হলো আজ-


ওজন নিয়ন্ত্রণ : অনেকেরই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘাম ঝরানোর পরও কারো কারো উপকার আসে না। তাদের জন্য করলা হতে পারে অন্যতম সহজ উপায়। চিকিৎসকদের মতে ওজন কমানোর জন্য সুষম খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এমন কিছু খাবার থাকা উচিত যা ওজন কমাতে সহায়তা করবে। করলা তেমনই খাবার। করলাকে জুস করে, সেদ্ধ করে, ভেজে বা তরকারি হিসেবে খাওয়ার ফলে ওজন কমে।


ডায়াবেটিসে উপকার : রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে করলা। এছাড়াও ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমায়। ইতোমধ্যে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছে তাদের উচিত নিয়মিত করলা খাওয়া। বিভিন্ন গবেষণার প্রতিবেদন বলছে, তেতো জাতীয় এই করলা খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।


ত্বকের যত্ন : রক্তকে পরিশুদ্ধ করে ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে করলা। এতে ভিটামিন-সি রয়েছে। ফলে নিয়মিত করলা খাওয়ার ফলে ত্বকের সমস্যা দূর হয় এবং শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ভিটামিন-সি উপাদান থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।


হার্ট ভালো রাখে : উচ্চ কোলেস্টেরলে যাদের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য করলার বিকল্প কিছু নেই। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টকে ভালো রাখে। রক্তচাপ কমে এবং স্টোকের ঝুঁকি হ্রাস করে।

Post a Comment

Previous Post Next Post