জ
'ন্মকু'ণ্ডলীতে দো'ষ রয়েছে। আ'র তা কা'টাতে পুরো'হিতের নির্দে'শে নিজে'রই এ'ক নাবা'লক ছাত্র'কে বি'য়ে ক'রলেন এক গৃহশি'ক্ষিকা। ঘটনা'টি ঘটে'ছে ভার'তের পাঞ্জা'বের জাল'ন্ধরের বস'তি বা'ওয়া খে'ল এলাকায়।
জন্মকুণ্ড'লীতে মাঙ্গ'লিক দো'ষ পাও'য়া যা'য় ওই না'রীর। এমতা'বস্থায় তা'র বি'য়ে নি'য়ে উদ্বি'গ্ন হয়ে ও'ঠে ওই না'রীর পরি'বার। এজন্য পুরোহিতের দ্বারস্থ হয় তারা। তিনি জানান, এক নাবা'লকের সঙ্গে প্রতী'কী বি'য়ে ক'রলে এই দো'ষ কাটা'নো স'ম্ভব।
তাই বি'য়ে ক'রতে নিজে'র ক্লাসে'র ১৩ বছরে'র এক কি'শোরকে বেছে নেন ওই নারী। তিনি ওই কি'শোরের বাড়িতে জানান, পড়াশোনার জন্য শিশুটিকে তার বাড়িতে এক সপ্তাহ থাকতে হবে।
পরে ছেলে'টি তার বা'ড়ি ফেরা'র প'র এই ঘটনা জানাজানি হয়। এরপর ওই কিশোরের অভিভাবকরা বসতি বাওয়া খেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
ওই কি'শোর জানায়, তার শিক্ষিকার পরিবার তার সঙ্গে জবরদস্তি বিয়ের বিভিন্ন প্রথা পালন করে। পরে তার শিক্ষিকার হাতের চুড়ি ভেঙ্গে তাকে বিধবা ঘোষণা করা হয়। এমনকি শোক অনুষ্ঠানও করা হয়।
অভিযোগ দায়েরের পর থানায় যান ওই নারী। তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ তুলে নিতে কিশোরের পরিবারকে চাপও দেয়া হয়।
এদিকে দুই পরিবারের বোঝাপড়ায় অভিযোগ তুলে নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় স্টেশন হাউস অফিসার গগনদীপ সিংহ।
